ড. আহমদ আলী
সাইয়িদুনা উমার রা. বলেছেন,
وَلاَ تَدْخُلُوا عَلَى الْمُشْرِكِينَ فِى كَنَائِسِهِمْ يَوْمَ عِيدِهِمْ فَإِنَّ السُّخْطَةَ تَنْزِلُ عَلَيْهِمْ.
“তোমরা মুশরিকদের উৎসবের দিনে তাদের উপাসনালয়ে প্রবেশ করো না। কেননা, ঐ সময় তাদের ওপর আল্লাহর ক্রোধ নেমে আসে।”
রাষ্ট্রীয় প্রশাসন,—প্রয়োজনে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও—অমুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় অধিকার রক্ষা এবং তাদের উৎসব ও অনুষ্ঠানাদি নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ার জন্য প্রশাসনিক সহযোগিতা দেবে এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—তা-ই কাম্য ও ন্যায্য।
কিন্তু কোনো মুমিন ব্যক্তির জন্য এটা কোনোভাবেই সমীচীন নয় যে, অন্য ধর্মাবলম্বীদের পূজামণ্ডপে গিয়ে উপস্থিত হওয়া এবং পূজামণ্ডপস্থলে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়া। কারণ, এটি একদিকে ঈমানী চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থি, অন্যদিকে তাদের শিরকী কর্মকাণ্ডে অনুপ্রেরণা প্রদান করার শামিল।
যেসব প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ—বিশেষত বহুজাতিক সমাজে— মানবিক সৌজন্য ও সদ্ভাব রক্ষা, নাগরিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের জায়গা থেকে শুভেচ্ছা জানাতে চান, তাদের জন্য বাঞ্ছনীয় হলো, বক্তব্যের স্ক্রিপ্ট আগেভাগেই এমনভাবে প্রস্তুত করা,
যাতে কথা বলতে গিয়ে—অজ্ঞতাবশত হোক কিংবা অনিচ্ছাকৃতভাবে হোক— কুফর ও শিরকের প্রতি কোনোরূপ সমর্থন হিসেবে প্রতীয়মান হয়—এরূপ কোনো অবাঞ্ছিত শব্দ বা বাক্য না থাকে
এবং যা নিয়ে নিজেদের মধ্যেও কোনোরূপ ভুল বোঝাবুঝি তৈরি না হয় এবং পরে ব্যাখ্যা দিয়ে তা খোলাসা করতে হয়।
লেখক : প্রফেসর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়




