ইসরাইলের গাজা সিটি অভিযান, গাজা সিটি অভিযান, গাজা সিটি, আবু উবায়দা, নেতানিয়াহু, কাসসাম ব্রিগেড

ইসরাইলের গাজা সিটি অভিযান : সতর্ক করে যা বললেন আবু ওবাইদা

ইসলামিক প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবাইদা শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন যে গাজা শহর দখলের পরিকল্পনা মোকাবেলায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের জন্য এক বিপর্যয় হবে।

টেলিগ্রামে প্রকাশিত একাধিক বার্তায় আবু ওবাইদা উল্লেখ করেন যে, গাজা দখলের চেষ্টা শত্রু সেনাবাহিনীকে তাদের সৈন্যদের রক্ত দিয়ে পরিশোধ দিতে বাধ্য করবে এবং নতুন সৈন্যদের বন্দী করার সম্ভাবনা বাড়াবে। তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের উচ্চ সতর্কতা, প্রস্তুতি ও মনোবল নিয়ে আক্রমণকারীদের কঠোর শিক্ষা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলের নেতানিয়াহু এবং তার মন্ত্রীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে জীবিত শত্রু বন্দীর সংখ্যা অর্ধেক কমিয়ে আনা হবে এবং নিহত বন্দীদের বেশিরভাগ মৃতদেহ চিরতরে অদৃশ্য করা হবে, যার পুরো দায় শত্রু সেনাবাহিনী এবং সরকার বহন করবে।

কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র বন্দীদের বিষয়ে বলেন, তারা ইসরায়েলি বন্দীদের রক্ষা করার চেষ্টা করবে, তবে একই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে তারা যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের যোদ্ধাদের সাথে থাকবে। এছাড়া নিহত প্রতিটি বন্দীর নাম, ছবি ও মৃত্যুর প্রমাণ প্রকাশ করা হবে।

আজ সকালে কাসাম ব্রিগেড গাজার জেইতুন পাড়া এবং উত্তর গাজা উপত্যকার জাবালিয়ায় ইসরায়েলি বাহিনী ও তাদের যানবাহনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শুক্রবার গাজা শহরে আক্রমণের প্রাথমিক অভিযান শুরু করেছে, যা আবাসিক এলাকা ও বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে। ১১ আগস্ট থেকে শুজাইয়্যা, জেইতুন, সাবরার আশেপাশের এলাকা এবং জাবালিয়ায় ঘনীভূত বিমান হামলা, বোমা হামলা ও ভবন ধ্বংসের মাধ্যমে “অপারেশন গিদিওন ২” পরিচালনা করছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৬৩,০০০-এর বেশি মানুষ নিহত এবং ১,৫৯,০০০ জন আহত হয়েছে। অনাহারের কারণে ১২১ শিশুসহ ৩২২ জন ফিলিস্তিনি মারা গেছেন।

সূত্র : আল জাজিরা

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Scroll to Top