ট্রাম্প, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা,

কী আছে গাজা নিয়ে ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনায়?

হোয়াইট হাউস গাজার যুদ্ধ শেষ করার জন্য ট্রাম্পের বহুল প্রতীক্ষিত পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। প্রথমে ২১ দফা বলা হলেও এখন দেখা যাচ্ছে ২০ দফা।
পরিকল্পনার মূল দিকগুলো হলো:
• গাজা একটা অস্থায়ী টেকনোক্র্যাট সরকারের অধীনে পরিচালিত হবে এবং ইসরায়েল গাজাকে অ্যানেক্স করবে না।
• কাউকে গাজা থেকে জোর করে বের করে দেওয়া হবে না। গাজা নতুন করে র্নির্মাণ করা হবে।
• যদি উভয় পক্ষ এই পরিকল্পনা মানে, তাহলে যুদ্ধ এখনই শেষ হবে এবং সব বন্দি—জীবিত বা মৃত—৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে। (ইসরায়েল মেনেছে। হামাস যদি না মানে, ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েল যা করতেছে, তা করায় সাপোর্ট দিয়ে যাবে।
• ইসরায়েল যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ২৫০ জন বন্দিসহ ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর আটক হওয়া ১,৭০০ গাজাবাসীকে মুক্তি দেবে। এবং প্রতিজন ইসরায়েলি মৃতদেহের বিনিময়ে গাজার ১৫টি লাশ ফেরত দেবে।
• এই সময়ে ইসরায়েলি সেনাদের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে প্রত্যাহারের প্রস্তুতির জন্য সকল সামরিক অভিযান স্থগিত থাকবে। চুক্তি সম্পন্ন হলেই সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনী নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে সরে যাবে এবং সব ধরনের সামরিক অভিযান (বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ইত্যাদি) বন্ধ থাকবে।
• হামাসের যারা !শান্তির অঙ্গীকার‘ করবে তারা সাধারণ ক্ষমা (অ্যামনেস্টি) পাবে, আর যারা তা করবে না তাদেরকে যে দেশ নিতে চায়, সেই দেশে নিরাপদে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
• আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাহিনী মিলে গাজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং ফিলিস্তিনি পুলিশকে তারা প্রশিক্ষণ দেবে।
• চুক্তি অনুসারে নির্দিষ্ট মাত্রায় গাজায় ত্রাণ প্রবেশ ও বিতরণ হবে।
• ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের মধ্যে সহাবস্থানের জন্য আমেরিকা সংলাপের ব্যবস্থা করবে।
• অস্থায়ী সরকার যতদিন ক্ষমতা ফিলিস্তিনিদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পরিস্থিতি না পায়, ততদিন তারা আন্তর্জাতিক সহায়তা গ্রহণ ও বণ্টনের কাঠামো তৈরি করবে এবং গাজার পুনর্গঠন কার্যক্রম চালাবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Scroll to Top