স্ন্যাকস হিসেবে ঝাল–তেল–মসলাযুক্ত খাবারের বদলে ড্রাই ফ্রুটস এখন অনেকের প্রথম পছন্দ। আমন্ড, কাজু, আখরোট, কিশমিশ, খেজুর কিংবা মাখানা শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। তবে দিনের যেকোনো সময় না খেয়ে নির্দিষ্ট সময়ে অল্প পরিমাণে খেলে এর উপকারিতা আরও বেশি পাওয়া যায়।
সকালের শুরুতে বাদাম
সকালেই ভিজিয়ে রাখা আমন্ড, আখরোট ও কাজু খেলে সারা দিনের জন্য এনার্জি মেলে। যেসব নারীর পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তপাত হয়, তাদের জন্য সকালে ভেজানো কিশমিশ বিশেষভাবে উপকারী, কারণ এতে আয়রন প্রচুর থাকে। আর ওজন কমানোর জন্য খালি পেটে আমন্ড, আখরোট ও কিশমিশ ভালো সঙ্গী। এগুলো ফাইবারসমৃদ্ধ, হজম সহজ করে এবং পেট পরিষ্কার রাখে।
ব্যায়ামের আগে–পরে এনার্জি বুস্টার
ব্যায়ামের আগে খেজুর, পেস্তা ও অ্যাপ্রিকট দ্রুত এনার্জি দেয়। আর শরীরচর্চার পর কিছু ড্রাই ফ্রুটস খেলে এতে থাকা প্রাকৃতিক সুগার ও ফ্যাট শরীরের কাজে লাগে।
দুপুরের আগে হালকা স্ন্যাকস
মিড মর্নিং স্ন্যাকস হিসেবে কাজু ও কিশমিশ খেতে পারেন। এগুলো একদিকে খিদে মেটায়, অন্যদিকে শরীরকে পুষ্টিও দেয়।
দিনের মাঝে শক্তি ধরে রাখুন
অল্প পরিমাণে আমন্ড বা পিনাট বাটার খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি থাকে। এতে বারবার খিদে লাগার প্রবণতা কমে যায়।
সন্ধ্যার হালকা সঙ্গী
হালকা খাবারের জন্য সন্ধ্যায় ভেজানো অ্যাপ্রিকট খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া কুমড়ার বীজ, বাদাম ও আখরোটের মতো ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার স্যুপে মিশিয়ে খেলে পিএমএস–এর যন্ত্রণা কমাতে সহায়ক।
রাতে এড়িয়ে চলুন
রাতে ড্রাই ফ্রুটস খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো। এতে প্রচুর প্রোটিন থাকায় হজম হতে সময় নেয়, ফলে রাতে খেলে হজমে সমস্যা বা অস্বস্তি হতে পারে।
সারকথা হলো, সকালে ও দিনের বেলা ড্রাই ফ্রুটস খাওয়া সবচেয়ে উপকারী। ব্যায়ামের আগে ও পরে এটি এনার্জি জোগায়, তবে রাতে খাওয়া এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
সূত্র : আজকাল




