গাজায় আরো অভিযান চললে বন্দীদের জীবন হুমকিতে পড়বে বলে সরকারকে সতর্ক করেছেন ইসরাইলি চিফ অব স্টাফ হারজি হালেভি (ইয়াল জামির)। এরপর তিনি গাজায় বন্দীদের মুক্তির লক্ষ্যে চুক্তির পক্ষে মত দেন।
সোমবার (৭ জুলাই) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইসরাইলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, সেনাবাহিনী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে স্পষ্ট করে বলেছে যে যুদ্ধের দুই প্রধান লক্ষ্য তথা হামাসকে নির্মূল করা ও বন্দীদের উদ্ধারের চেষ্টা করা একইসাথে বাস্তবায়ন করা বর্তমানে অসম্ভব।
আর্মি রেডিও আরো জানিয়েছে, সেনাবাহিনী মনে করে যে গাজায় যেসব ইসরাইলি বন্দী রয়েছে, তাদের উদ্ধারকেই এখন অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধের দু’টি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন- হামাসকে ধ্বংস করা এবং বন্দীদের ফিরিয়ে আনা।
এই মন্তব্য এমন এক সময় এসেছে, যখন ইসরাইলি বাহিনী গাজায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান হামলার মুখে পড়ছে। যার ফলে হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।
গাজায় সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা হবে নাকি যুদ্ধবিরতি ও বন্দী বিনিময়ভিত্তিক চুক্তির দিকে অগ্রসর হওয়া হবে, এ নিয়ে ইসরাইলি গণমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে।
এদিকে, কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার নতুন একটি দফা শুরু হয়েছে, যেখানে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, চলতি সপ্তাহেই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব হতে পারে। তিনি আজ হোয়াইট হাউসে নেতানিয়াহুর সাথে সাক্ষাৎ করবেন এবং বৈঠকের পর গাজা বিষয়ে চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
সূত্র : আল জাজিরা




