ঢ্যাঁড়শ ডায়াবেটিস রোগীর জন্য উপকারী একটি সুপারফুড। এতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ম্যাগনেসিয়াম, ফোলেট, পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড। এই উপাদানগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, হৃদরোগের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে, এবং ভিটামিন বি নিউরোপ্যাথি প্রতিরোধে ও হোমোসিস্টেইনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
ঢ্যাঁড়শে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা খাদ্যপাচন ধীর করে এবং খাবারের পর রক্তে শর্করার বৃদ্ধি কমায়। ক্যালোরি কম হওয়ায় এটি নিয়মিত খাবারে ব্যবহার উপযোগী।
খাওয়ার পদ্ধতি : ৪-৫টি ঢ্যাঁড়শ ধুয়ে প্রান্ত কেটে লম্বালম্বিভাবে চিরে কাঁচের বয়ামে পানি দিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ঢ্যাঁড়শ চিপে বের করে যে পানি থাকে, তা পান করা যেতে পারে।
গবেষণা অনুযায়ী ঢ্যাঁড়শ রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে ও কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। টাইপ ওয়ান ও টাইপ টু ডায়াবেটিসে রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। তবে টকজাতীয় খাবার যেমন লেবু বা আমলকীর সঙ্গে একসাথে খেলে গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে।
প্রতিটি মানুষের শরীরে প্রতিক্রিয়া ভিন্ন, তাই খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।




