মাসুম বিল্লাহ
১. সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে হাম.লা এবং সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী সেখানে ব্যাপক অভিযানের ঘোষণা দিয়েছে।
২. ইমরান খানের দলের (তেহরিক-এ ইনসাফ পাকিস্তান PTI) অন্যতম ব্যক্তিত্ব, খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী “আলী আমিন গাণ্ডাপুর” পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে কাবায়েলী অঞ্চলে ব্যাপক অভিযানের অনুমতি দিয়েছে।
(যারা PTI এর পক্ষ নিয়ে সারাদিন ফজলুর রহমান সাহেবকে গালাগালি করে, তারা যেন এই জুলুমের কথা মনে রাখে। এই জুলুম এবং অন্যায় তাদের স্বাক্ষরিত অনুমোদনে হয়েছিল।)
৩. পাকিস্তানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এই অভিযানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তারা এই অভিযানকে সাধারণ মানুষের জান-মালের ক্ষতির কারণ মনে করে। স্থানীয় জনতাও এই অভিযানের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ এবং আন্দোলন করেছে করেছে।
৪. অভিযানের অংশ হিসেবে দুদিন আগে ব্যাপক বিমান হা.মলা, ড্রোন হা.মলা চালিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। এতে স্থানীয় অনেক শিশু এবং নারী নিহত হওয়ার কথা শোনা গেছে।
৫. আপাতত অভিযানের রেডজোন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়ার #Bajour এলাকা।
৬. স্থল অভিযানের জন্য বাজোরে হালকা এবং ভারী সামরিক যান ও অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানে মেরি.কান সমরাস্ত্রের উপস্থিতি দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, আফ..নিস্তানে পরাজিত হওয়ার সময়ে এগুলো পাকিস্তানে নিয়ে আসা হয়। যা বর্তমানে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ব্যবহার করছে।
৭. বাজোরে স্থানীয় পঞ্চায়েত বা শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনায় অংশ নিয়েছে তিতিপি। সেখানে সমঝোতার আলোচনা করা হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে তিতিপির কাছে আবেদন করা হয় তারা যেন লোকালয় ছেড়ে পাহাড়ে চলে যায়। কিন্তু তিতিপি ঘোষণা দেয়, তাদের কাঙ্ক্ষিত শরীয়া বাস্তবায়ন ছাড়া তারা পিছু হটবে না। তবে তিতিপির সদস্যরা তাদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করার জন্য কিছু সময় চেয়েছে।




