আবদুল হক
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না। পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে। এটা আমার হিসাব। খুলে বলি।
আওয়ামী লীগ নাই, কিন্তু তার ভোট আছে। এ ভোটগুলি নিয়ে বোঝাপড়া হত। জাপার হয়ে নির্বাচনে দাঁড়াত কিছু অচিহ্নিত আওয়ামী প্রার্থী। বাকি আওয়ামী ভোট পড়ত জাপার বাক্সে। এভাবেই জাপার কাঁধে সওয়ার হয়ে অংশত পুনর্বাসিত হত আওয়ামী লীগ। কিন্তু সে আর হবার নয়। কারণ জাপা এবং নির্বাচনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে পড়েছে বেড়া।
বেড়া মানে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ। জাপার ওপরও লীগের মতো দণ্ডারোপ করতে সরকারকে বাধ্য করা হতে পারে।
রইল বাকি ৫টি দল। বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদ। এর মধ্যে একমাত্র বিএনপি দ্রুত নির্বাচন চায়। বাকি ৪টি দল আগে চায় ৪টি কাজ সারা হোক─সংস্কার, বিচার, পিআর ও চার্টার।
১ দল নির্বাচনের পক্ষে, ৪ দল বিপক্ষে। এমতাবস্থায় ড. ইউনূস গণতান্ত্রিক নিয়মে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের দাবি মেনে নেবেন। কেননা ৪ দলের দাবি উপেক্ষা করে ১ দলের মতে নির্বাচন দিলে সেই নির্বাচন একচেটিয়া হবে, গ্রহণযোগ্য হবে না।
কাজেই নির্বাচন পিছিয়ে যাবে। ফেব্রুয়ারিতেই হতে পারে─তবে সামনের ফেব্রুয়ারিতে নয়, তার পরের কোনো এক ফেব্রুয়ারিতে।
লেখক : কবি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক




