নব্বইয়ের পর দীর্ঘ সময়ের পর প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগবিহীন রাজনীতির মাঠে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছে বিএনপি ও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দল। এই প্রেক্ষাপটে তফসিল ঘোষণার পর গঠিত হতে যাচ্ছে ইসলামী দলগুলোর নির্বাচনী জোট। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিসসহ মোট আটটি দল জোটের প্রাথমিক আলোচনায় আছে।
আটটি ইসলামী দল হলো—
১. বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
২. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
৩. বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
৪. জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ
৫. খেলাফত মজলিস
৬. নেজামে ইসলাম পার্টি
৭. ইসলামী ঐক্যজোট
৮. খেলাফত আন্দোলন
এছাড়া নির্বাচনী সমঝোতায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), এবি পার্টি এবং গণঅধিকার পরিষদও। জোটের লক্ষ্য ভোটের মাঠে বিএনপির শক্ত প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা।
আদর্শ বা আকিদাগত কিছু ভিন্নতা থাকলেও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই ইসলামী দলগুলোকে ঐক্যে পৌঁছাতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। দলগুলো ইতোমধ্যেই সভা-সমাবেশে তাদের সম্ভাব্য জোট সমীকরণ তুলে ধরেছে।
তবে বর্তমান ব্যবস্থায় তারা নির্বাচন না করার পক্ষেই একাত্ম। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “ফ্যাসিবাদ আমলের সেই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হলে আরেকটি ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে। তাই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তিতে সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। অন্যথায় অংশগ্রহণে কোনো লাভ নেই।”
নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ইসলামী দলগুলো। তারা সতর্ক করেছেন, আগের মতো একতরফা প্রহসন নির্বাচন এবার আর গ্রহণযোগ্য হবে না।
জোট গঠন এবং নির্বাচনী কৌশল তফসিল ঘোষণার পর আরও স্পষ্ট হবে।




