মুফতি খাইরুল ইসলাম
আমাদের সমাজে একটি ব্যাপক প্রচলিত কাজ হলো জন্মসনদ ও সার্টিফিকেটে বয়স কমিয়ে লেখা। সম্ভ্রান্ত থেকে সাধারণ, অনেকেই এটিকে সামান্য বিষয় মনে করে করে থাকেন। কখনো প্রয়োজনে, কখনো অপ্রয়োজনেও এমনটি করা হয়। অথচ এটি নিছক একটি সামাজিক রেওয়াজ নয়। বরং সুস্পষ্ট মিথ্যা।
ইসলাম মিথ্যাকে গর্হিত ও কবীরা গুনাহ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মিথ্যা বলা যেমন হারাম, তেমনি মিথ্যা লিখে দেয়া, অনুমোদন দেয়া কিংবা উপকারভোগী হওয়াও গুরুতর অপরাধ। কোনো বিষয় প্রচলিত হয়ে গেলেই তা শরীয়তে হালাল বা বৈধ হয়ে যায় না। বরং এই ধরণের মিথ্যা সমাজে অসততা, প্রতারণা এবং অনৈতিকতার ভিত্তি গড়ে তোলে।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই মিথ্যা পাপের পথে পরিচালিত করে, আর পাপ জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। মানুষ মিথ্যা বলতে বলতে আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী হিসেবে লেখা হয়ে যায়।’ (সহীহ বুখারী: ৬০৯৪, সহীহ মুসলিম: ২৬০৬)
তাই যারা এখনো এমনটি করে থাকেন, তাদের উচিত সচেতন হয়ে তা সংশোধনের পদক্ষেপ নেয়া। প্রয়োজনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশোধন করে আল্লাহর কাছে তাওবা করা ও সঠিক পথে ফিরে আসা।
আলমাবসূত, সারাখসী ৩০/২১১; মুলতাকাল আবহুর ৪/২২১




