পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি ইঙ্গিত দেয়, আব্রাহাম চুক্তিতে সৌদিকে অন্তর্ভুক্ত করার মার্কিন খাহেশ আর সহসা পূর্ণতা পাচ্ছে না। এতে হা.মা.সের একটি ইচ্ছে পূরণ হয়েছে।
বিশ্লেষকরা তখন বলেছিলেন, সৌদি যখন ই.সরা.ইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের কাছাকাছি অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল, তখন এটি ঠেকাতে হা.মা.স যুদ্ধ শুরু করেছিল।
এদিকে, কাতারে হা.ম.লা করে ই.সরা.ইল আরব বিশ্বকে ইঙ্গিত দিয়েছে যে যেকোনো সময় যেকোনো দেশের উপর তারা হা.ম.লা চালাতে পারে।কূটনৈতিক মধুর সম্পর্কও এ থেকে তাদের ফেরাতে পারবে না। সেজন্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি এরই প্রতিফল।
কাতারে ই.সরাই.লি হামলার পর যখন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছে যে এই হা.ম.লা তে.ল আ.বি.বের সাথে ওয়াশিংটনের সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে না, তখন মধ্যপ্রাচ্য বুঝে গেছে যে যুক্তরাষ্ট্র তাদেরকে যে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়ে রেখেছে, এটি ভুয়া। সেজন্য তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। নতুন মিত্রের খোঁজে তাই পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক গড়েছে।
এই প্রতিরক্ষা চুক্তির মধ্যে পার.মাণ.বিক কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত কিনা, এটি এখনো স্পষ্ট নয়। সৌদি পক্ষের অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য হলো পার.মাণ.বিক কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত। তবে পাকিস্তান এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলছে না। আবার অস্বীকারও করছে না। তার মানে এই ধরনের কিছু অবশ্যই আছে। আর না থাকারই বা যৌক্তিকতা কী। চুক্তি করেছে ই.সরা.ইলি হা.মলা প্রতিহত করার নিমিত্তে। ইসরাইলের পারমাণবিক শক্তিই তো তাদের জন্য বেশি হুমকি। তাই একটি পার.মাণ.বিক শক্তির ছায়ায় আশ্রয় নিয়ে কিছুটা নির্ভার হওয়ার চেষ্টা করছে সৌদি।
এদিকে, ইরা.ন পার.মাণ.বিক শক্তি অর্জন করার কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছে। সৌদি ইরা.নকে তার শক্ত প্রতিপক্ষ মনে করে। তারা ঘোষণা দিয়ে রেখেছে যে ইরা.ন পর.মাণু. অ.স্ত্র বানালে তারাও বানাবে এই অ.স্ত্র। আর ইরা.ন আজ হোক আর কাল হোক এই অ.স্ত্র বানাবেই। তাই সৌদিরও এই প্রযুক্তিতে সহযোগিতার জন্য বিশ্বস্ত কোনো বন্ধুর দরকার ছিল। পাকিস্তান ওই প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম। মূলত ইরা.নও তো পার.মাণ.বিক প্রযুক্তির জ্ঞান এই পাকিস্তান থেকেই পেয়েছে। তাই পাকিস্তানের সাথে এই চুক্তি সৌদি কৌশলগত আগ্রহেরও বার্তা দেয়।




